অসহায় মানুষের হাসিই রাজু আহমেদের জীবনের সুখ

সাভার প্রতিনিধি

কেঊ স্বার্থপর হয়ে সুখী, কেউ স্বার্থ বিলিয়ে সুখী। তবে আমি কখনো স্বার্থপর হতে শিখিনি। সব সময় চেষ্টা করেছি অন্যের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিতে। এসবের বিনিময় একদিন কিছু পাব এমন আশা আগেও করিনি, আজও করি না। ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য’ এই দায়িত্ববোধ থেকেই কিছু একটা করার চেষ্টা করেছি মাত্র। জানিনা কতটুকু পেরেছি। কথাগুলো একটু চিন্তিত সুরে বলছিলেন আশুলিয়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: রাজু আহম্মেদ

 

“সবার সুখে হাসব আমি / কাঁদব সবার দুখে, নিজের খাবার বিলিয়ে দেব / অনাহারীর মুখে।” পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের এই কবিতাটি বুকে ধারণ করে নিজ স্বার্থ বিলিয়ে আজ আশুলিয়ার অসহায়দের চোখের মণি মো: রাজু আহম্মেদ।

অসহায় মানুষের যেন বেঁচে থাকার সম্বল তিনি। আজ পর্যন্ত কেউ খালি হাতে ফিরেনি তার নিকট থেকে। প্রতিবন্ধী, বিধাব, রোগাক্রান্ত, অসহায় দুস্থ্য পরিবারের পাশে তিনি সব সময়ই থেকেছেন। শুধু তাই নয়, গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্যও বাড়িয়ে দিয়েছেন সহায়তার হাত। এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ পেয়েছেন তার সাহায্য।

রাজু আহমেদ তার এই মানব সেবার বিষয়ে আরো জানান, মানব সেবা এখন তার নেশায় পরিণত হয়েছে। তিনি চাইলেও এটা আর ছাড়তে পারবেন না। কারণ- মানুষের সেবার মাঝে তিনি যে নিষ্পাপ হাসিগুলো দেখতে পান, সেগুলো তার কাছে হিরা-মুক্তার চেয়েও দামী। মানুষকে ভালবেসে তিনিও পেয়েছেন অকৃত্রি ভালবাসা।

শুধু মানব সেবা করেই ক্ষ্যান্ত হননি রাজু আহম্মেদ। পাশাপাশি আরো অনেক সামাজিক কাজও তিনি করেছেন।

নিম্ন শ্রেণীর মানুষের তিনি যে কত সহজে আপন করে বুুকে টেনে নিয়েছেন সেটারও আবেকঘন দৃশ্যটি আমাদের চোখে পড়ে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আশুলিয়ার অনেক প্রতিবন্ধী, বিধবা, সুইপার এমনকী রাস্তার পথ শিশুদের কাছেও প্রিয় একটি নাম ‘রাজু ভাই’। তিনি যেন এই মানুষগুলোর বেঁচে থাকার স্বপ্ন, আশার প্রদীপ। যখনই তারা পড়েছেন দারিদ্রতার করাঘাতে তখনই পাশে পেয়েছেন এই মহান মানুষটিকে।

 

এগুলো তিনি কেন করেন তা জিজ্ঞেস করতেই সে বলেন, কখনো কোনো কিছু পাওয়ার আশায় নয়, যেটি করেছি নিজের প্রতি সমাজের দায়বদ্ধতা থেকেই করেছি। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আমাকে যতদিন বাচিঁয়ে রাখবে আমি করে যাবো।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
error: Content is protected !!