আপনি জানেন? স্মার্টফোন পুরনো হলেও যে কাজে ব্যবহার করা যাবে!

জনশক্তি ডেস্ক : জীবনযাপন বদলে দিচ্ছে স্মার্টফোন। প্রযুক্তির এ উন্নয়নে আজ যেন সব কিছু হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। তবে থেমে নেই নতুন উদ্ভাবন। প্রতিনিয়ত নতুন ফিচার সমৃদ্ধ স্মার্টফোন বাজারে আসছে। তাই পুরাতনটির স্থান করে নিচ্ছে নতুনটি। মন কাড়া নতুন হ্যান্ডসেটটি হাতে পাবার পর তাই অনেকেই অবহেলায় ফেলে রাখেন পুরনোটি।তবে সেটি ফেলে না রেখে কাজে লাগাতে পারেন অনেকভাবেই। নানা কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে পুরনো স্মার্টফোনটি।পুরোনো স্মার্টফোনটি বাসায়, গাড়িতে বিভিন্ন কাজে লাগানো যায়। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে বহুবিধ সুবিধার দিকগুলো তুলে ধরা হলো।

মিডিয়া প্লেয়ার: পুরাতন স্মার্টফোনটিকে মিডিয়া প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাতে পারে। সেক্ষেত্রে এটিতে এইচডিএমআই ক্যাবল ব্যবহারের সুবিধা থাকলে তা মিডিয়া প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। ফোনের মেমোরি কার্ডে থাকা মুভি কিংবা ভিডিও সহজে দেখা যাবে টিভিতে।

গিনিপিগ হবে স্মার্টফোন: বর্তমান সময় মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপারদের চাহিদা বেশি। অ্যাপ তৈরি করে অনেক টাকা আয় করা যায়। তাই অ্যাপ ডেভেলপার কিংবা অ্যাপস নিয়ে গবেষণা করতে চাইলে পুরাতন স্মার্টফোনটি বিশেষ কাজে ব্যবহার করতে পারেন।সহজে অ্যাপসগুলো পরীক্ষা করে টেষ্ট করার জন্য পুরাতন স্মার্টফোনটিকে গিনিপিগ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

সিকিউরিটি ক্যামেরা: হাতের কাছে পুরনো স্মার্টফোন থাকলে সিকিউরিটি ক্যামেরার জন্য এখন আর আলাদা কোনো ডিভাইসের প্রয়োজন হবে না। চাইলে স্মার্টফোনটি সিকিউরিটি ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করা যায়। অপ্রয়োজনীয় পুরাতন স্মার্টফোনটির সাহায্যে তৈরি করা যাবে স্থায়ী সিকিউরিট ক্যামেরা। ফলে সহজে মনিটর করা যাবে নিরাপত্তার সকল দিক।

ওয়ারলেস রাউটার: পুরানো ফোনটি ব্যবহার করা যেতে পারে ওয়াই-ফাই হটস্পটের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই জোন হিসেবে। তাহলে নতুন করে অর্থ ব্যয় করে মডেম কেনার প্রয়োজন হবে না।

গেইমিং ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার: গেইম ভক্ত হলে গেইমিং ডিভাইস হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে পুরাতন স্মার্টফোনটি। হাতের নতুন স্মার্টফোনটিতে গেইমস খেললে বেশি চার্জ ক্ষয় হতে পারে। এ সমস্যার সমাধান হতে পারে আগের স্মার্টফোনটি।জিপিএস নেভিগেটর ডিভাইস
কোথায় ঘুরতে গেলে কোনো জায়গা নিচতে সমস্যা হলে জিপিএস নেভিগেটর বেশ কাজে দেয়। চাইলে পুরোনো স্মার্টফোনটিকে পুরোপুরি জিপিএস ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ফলে নতুন কোন জায়গা গেলে সহজে লোকেশন খুঁজে বের করা যাবে। গাড়ির ড্যাশবোর্ডে সেটি রেখে সহজে নতুন স্থান খুঁজে বের করা যাবে।

কম্পিউটারের রিমোট হিসেবে ব্যবহার: টেলিভিশনের জন্য রিমোট ব্যবহার হয়ে থাকে। তেমনি স্মার্টফোনটিকে রিমোট হিসেবে ব্যবহার করে খুব সহজে কম্পিউটার দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পুরাতনটির অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে দূর থেকে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে সহজেই।

পেনড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার: পুরাতন স্মার্টফোনটিকে ব্যবহার করা যেতে পারে পেনড্রাইভ হিসেবে। সেক্ষেত্রে পুরাতনটির ধারণক্ষমতা যদি কম হয় তবে তা বেশি ধারণক্ষমতার মেমরি কার্ড দিয়ে বাড়ানো যাবে। পরে তা পেনড্রাইভ হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।গাড়িতে হেয়ার আপ ডিসপ্লে হিসেবে ব্যবহার: গাড়িতে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত থাকলে পুরনোটি ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে গাড়ি নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য কাজও করা যাবে। সেক্ষেত্রে নতুন স্মার্টফোনটি ব্যবহার না করে পুরাতনটি গাড়ির কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: