গোলাপি জামা দেখেই মেয়ের লাশ চিনলেন মা

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার একটি গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত ঘর থেকে আঁখি আক্তার (১৪) নামের এক কিশোরীর পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার আঁখির পোশাক ও মুখমণ্ডলের আকৃতি দেখে শনাক্ত করে করেন তার মা সেলিনা বেগম।

আঁখি সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম ইউনিয়নের তেবাড়িয়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনে মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় লেখাপড়া করতো।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুনীল কুমার কর্মকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আখিঁর খালা রেবেকা জানান, আখিঁর জন্মের আগেই তার বাবা আবুল হোসেন মারা যান। এরপর থেকে সে মা সেলিনা বেগমের সঙ্গে নানা বাড়ি সাটুরিয়ার দিঘুলিয়া গ্রামে থাকতো। সেলিনা বেগম তার আরও দুই বোনের সঙ্গে সাভারের হেমায়েতপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সেখানেই ভাড়া বাসায় থাকেন তারা।

কয়েক দিন আগে আখিঁকে নিজের কাছে নিয়ে রেখেছিলেন সোলিনা। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে দিঘুলিয়ার উদ্দেশে আখিঁকে হেমায়েতপুর স্টান্ড থেকে বাসে তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। দৌলতপুরে কিশোরীর লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে তার মা মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের মর্গে গিয়ে গোলাপি জামা ও মুখের গড়ন দেখে আখিঁকে শনাক্ত করেন।

ওসি সুনীল কুমার কর্মকার জানান, পোশাক এবং মুখমন্ডলের আকৃতি দেখে আখিঁকে শনাক্ত করেছেন তার মা। মায়ের কাছে আখিঁর লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
error: Content is protected !!