ধামরাইয়ে গাজীখালী নদীর বালু চুরির মামলায় গ্রেপ্তার ১

ঢাকার ধামরাইয়ের গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নে গাজীখালী নদীতে অবৈধ ভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু চুরির মামলায় শামীম হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই মামলায় গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) শরিফ নামে আরেক আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার গাঙ্গুটিয়া বাজার থেকে বালু চুরি মামলার আসামি শামীমকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল কাওয়ালীপাড়া গ্রামের গাজীখালী নদী থেকে বালু চুরির অভিযোগে ধামরাই থানায় বাদী হয়ে পাঁচ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮-১০জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন কুশুরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা ইসহাক ভূইয়া।

গ্রেফতার শামীম হোসেন (৩৩) ধামরাই উপজেলারর কাওয়ালীপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে। মামলার বাকী আসামিরা হলো- একই গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে শরীফ (৩৫), মীর হোসেনের ছেলে নূর আলম সিদ্দিকী (৪২), কাছিম উদ্দিনের ছেলে রিফাত হোসেন (৪০) ও মৃত হাসেম আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম (৪৫)।

পুলিশ জানায়, গাজীখালী ব্রীজের নিচে নদীতে অবৈধ ভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ কুশুরা ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে ৩ লাখ টাকার বালু চুরির মামলা দায়ের করা হয়। এঘটনায় গত ৭ সেপ্টেম্বর কাওয়ালীপাড়া বাজার থেকে শরীফ নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আজ বুধবার সন্ধ্যায় গাঙ্গুটিয়া বাজার এলাকা থেকে একই মামলার আরেক আসামি শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরাফাত হোসেন জানান, কাওয়ালীপাড়া গ্রামে গাজীখালী নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু চুরির মামলায় আজ শামীমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই মামলায় এ নিয়ে দুই জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী আসামিদেরও গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এদিকে গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদেরকে বালু চুরির মামলায় গ্রেফতার দুই আসামির ফুলের মালা পড়িয়ে দেয়ার ছবি নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। ওই আওয়ামী লীগ নেতার মদদেই গ্রেফতার শামীম ও শরীফসহ বেশ কয়েকজন গাজীখালী নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু চুরি করে বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের বলেন, গাজীখালী নদীর কোথায় ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়েছে সেই বিষয়টাই আমার জানা নেই। আর যে দু’জন আমাকে ফুলের মারা পড়িয়ে দিয়েছেন তারা এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টিও সম্প্রতি আমি জানতে পেরেছি। যদিও সেভাবে তাদের সাথে আমার পরিচয় নেই। কেননা এর আগে আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী পদ পাওয়ার পর প্রায় দুই-তিন’শ নেতাকর্মী আমাকে ফুলের মালা পড়িয়ে ওই দিন শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ওই দু’জনও ছিলেন।

এসআই/শিরোনাম বিডি

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: