পা ফেলার জায়গা নেই লঞ্চে, মরিয়া হয়ে ছুটছেন মানুষ!

নিজস্ব প্রতিবেদক

লকডাউনে অভ্যন্তরীণ সব রুটে যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধের ঘোষণায় আজ রোববার দুপুর থেকেই উপচে পড়া ভিড় দেখা যায় দেশের প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটে। সন্ধ্যায় সে ভীড় চরম আকার ধারণ করে। লঞ্চগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানা তো দূরের কথা, পা ফেলার জায়গা পর্যন্ত ছিল না।
ছাদ, ডেক এমনকি চলাচলের প্যাসেজে পর্যন্ত যাত্রী বোঝাই করে ছেড়ে যায় লঞ্চগুলো। যাত্রীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্টদের।

সরকারি প্রজ্ঞাপনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জরুরি পণ্যবাহী জাহাজ ছাড়া ১১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধের নিদের্শনা জারি করে বিআইডব্লিউটিএ। যদিও গত শনিবার সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ঘোষণার পর ওই দিন থেকেই দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথের যাত্রীরা সদরঘাট হয়ে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেন। রবিবার সরকারি প্রজ্ঞাপনের পর পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়। পরিবার পরিজন নিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে উঠতে মরিয়া হয়ে পড়েন যাত্রীরা।

সংস্থাটির যুগ্ম পরিচালক জয়নাল আবেদীন জানান, যাত্রীদের ভিড় ঠেকাতে তারা নানা পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তবে কেউ-ই কিছু মানতে চাইছেন না।

তিনি জানান, লঞ্চগুলোতে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী ওঠার পরই সংস্থার লোকজন সেটিকে ঘাট ছাড়াতে চেষ্টা করছেন তারা। কিন্তু দেখা গেছে, এর মধ্যেই যাত্রীরা হুড়মুড় করে লঞ্চে উঠে পড়ছেন। বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন।

জয়নাল আবেদীন আরও জানান, যাত্রীদের চাপ সামলাতে আগের দিনের চেয়ে লঞ্চের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আগের দিন ৮৪টি লঞ্চ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গিয়েছিল। গতকাল ৯০টির বেশি লঞ্চ যাওয়ার কথা।

কেআরআর

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: