যানজটে স্থবির সাভারের সব সড়ক

সাভার প্রতিনিধি

কোরবানীর ঈদকে ঘিরে লকডাউন শিথিলের প্রথম দিন থেকেই সাভারের সড়ক গুলোতে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। সেই সাথে পশুবাহী গাড়ি ও ঘরমুখো মানুষের চাপে বৃদ্ধি পায় যানজট। ঘন্টার পর ঘন্টা যানজট ভোগান্তিতে পড়ে দুর্ভোগ ওঠে চরমে।

জানা গেছে, সাভারে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের নবীনগর থেকে বাড়াইপাড়া পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার থেকে নবীনগর পর্যন্ত আরিচামুখী লেনে ৮ কিলোমিটার ও গেন্ডা থেকে হেমায়েতপুর ৬ কিলোমিটার এবং টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে আশুলিয়া বাজার থেকে ধউর ৩ কিলোমিটার ও জিরাবো থেকে বাইপাইল পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

সাভার ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঈদে সড়কে ঘরমুখো মানুষ ও পশুবাহী গাড়ির চাপ বেড়েছে। গতকাল থেকেই রাজধানী ঢাকার প্রবেশমুখ সাভারের সব গুলো সড়কে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা সার্বক্ষণিক যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন।

গরুর ট্রাক নিয়ে আশুলিয়া বাজার থেকে বাইপাইল আসতে ভোর রাত থেকে ভোর হশে গেছে ট্রাকচালক ফজলুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘রাইত ৪টা বাজে আশুলিয়া বাজার থাইকা রওনা দিছি। সকাল সাড়ে ৯টা বাজে এহোনো বাইপাইল পার হইতে পারি নাই। পুরা রাস্তাই জাম।’

রহমান মিয়া নামে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের এক প্রাইভেটকার চালক বলেন, ভাই রাত সাড়ে ৪টায় চন্দ্রা থাইকা গাড়িতে বইসা আছি। আইজকা শ্যামলীতে যাইতে পারব কি না সন্দেহ আছে। রাস্তায় এতো পরিমাণ জ্যাম দেখার কেউ নাই।

সোহাগ হোসেন নামে এক গরুর বেপারী বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ থেকে গরু নিয়া আসতেছি। ধরেন দুই দিন ধইরাই রাস্তায় জ্যামে। গরমে গরু গুলা হাসফাস করতাছে। একটু পরপর গরু গুলোর মাথায় পানি ঢালা লাহতেছে।

সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ করিম খান বলেন, ঢাকা থেকে বের হওয়ার রুটে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গাড়ির চাপ বেশি। তবে এখন একটু কম। আমরা যানজট নিরসনে কাজ করছি।

বাইপাইল ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর খসরু পারভেজ বলেন, গতকাল রাত থেকে নবীনগর-চন্দ্রা ও টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে গাড়ির চাপ বেশি। যাত্রীবাহী ও পশুবাহী গাড়ির সংখ্যা বেশি। টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে খানাখন্দের কারণে যানজট বেশি। আমরা কাজ করছি।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
error: Content is protected !!