শ্যালিকার সঙ্গে ঘর বাঁধতে স্ত্রীকে হত্যা!

জনশক্তি রিপোর্ট: চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার নাসরিন আক্তার রিবা হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। তিনি কোনো দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যাননি। নবম শ্রেণিতে পড়া আপন ছোট বোন আইরিন আক্তার রেখা (১৬) ও দুবাই প্রবাসী স্বামী হযরত আলী তাকে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শ্যালিকা রেখার সঙ্গে পরকীয়ার জের ধরে তার সহযোগিতায় স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে বুধবার চাঁদপুরের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দিয়েছেন হযরত আলী। নিহত রিবার ছোট বোন রেখাও বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন।

এর আগে রিবা হত্যাকাণ্ড নিয়ে আজ দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জেলা পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির।

পুলিশ সুপার জানান, গত মার্চ মাসে দুবাই প্রবাসী হযরত আলীর সঙ্গে হাজীগঞ্জের পূর্ব হাটিলা গ্রামের দুবাই প্রবাসী রহিম ব্যাপারীর মেয়ে রিবার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রিবার ছোট বোন রেখার সঙ্গে হযরত আলীর পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুলাভাই হযরত আলীর সঙ্গে সংসার জীবন শুরু করার জন্য আপন বোনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন রেখা।

জিহাদুল কবির জানান, ৯ অক্টোবর বিদেশ থেকে দেশে ফিরে হযরত আলী তার শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে রেখার সহযোগিতায় স্ত্রীকে হত্যা করেন। পুলিশ মৃত্যুর রহস্যের অনুসন্ধান চালিয়ে গত মঙ্গলবার হযরত আলীকে আটক করে। বুধবার আটক করে নিহতের ছোট বোন আইরিন আক্তার রেখাকে।

হত্যা রহস্য উদঘাটনের আগে রিবা ও রেখাদের প্রতিবেশী মিনু বেগম সাংবাদিকদের জানান, ৯ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে রিবা ও তার ছোট বোন রেখা বাড়িতে ছিলো। তাদের মা সেদিন ঢাকায় তাদের আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করেছিলেন। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হঠাৎ চিৎকারের শব্দ পান তিনি। তিনি এসে দরজা-জানালা বন্ধ দেখে ঢাকায় অবস্থানরত তাদের মাকে ফোন দিয়ে এ চিৎকারের খবর জানান। পরে তাদের মা অনেকবার ফোনে মেয়ে রিবা ও রেখার মোবাইলে কল করার চেষ্টা করেও তারা ফোন ধরেনি। এরপর মিনু বেগম বাড়ির লোকজন নিয়ে পুনরায় রিবা ও রেখার ঘরের কাছে গিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। একপর্যায়ে রেখা দরজা খুলে দেয়। এ সময় মিনু বেগম দেখেন রিবা খাটের ওপর অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। আর রেখা মাটিতে গড়াগড়ি করছে। এ সময় রেখা তাদের বলেছিল, দুজন অজ্ঞাত ব্যক্তি ঘরে ঢুকে ছিল। এদের মধ্যে একজন তার বোন রিবার গলায় সোনার চেইন নিয়ে টানাটানি করে। পরে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়।

এদিকে বাড়ির আরো লোকজন এসে অচেতন রিবাকে প্রথমে হাজীগঞ্জ বিসমিল্লাহ হাসপাতালে নেয়। পরে অবস্থা গুরুতর হলে তাকে কুমিল্লা সিডি প্যাথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে সেখানে রিবার মৃত্যু হয়। এদিকে রেখা ঘটনার পর থেকে হাজীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিল। সে কোনো কথা বলতে পারছিল না।

পরিবারের লোকজন প্রথমে ধারণা করেছিলেন, অজ্ঞাতরা হয়তো রিবাকে ধর্ষণ করেছে। কিন্তু কুমিল্লা সিডি প্যাথ হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ধর্ষণের আলামত মেলেনি। তবে মৃত রিবার গলায় নখের আঁচড় রয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির এর আগে পাবনা জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। তাঁর সেখানকার সহকর্মী পাবনার বেড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশীষ বিন হাসান চাঁদপুরের রেখা হত্যা রহস্য উদঘাটন নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন। চাঁদপুরের পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির তাঁর ফেসবুকে আশীষ বিন হাসানের সেই লেখা শেয়ার করেছেন সবার জন্য। লেখাটি নিচে তুলে ধরা হলো :

একটি লাশ ও পুলিশের টাকা খাওয়ার ফন্দি

আপন দুই বোনকে পাশবিক কায়দায় ধর্ষণ। বড় বোন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিল ৩ দিন পর। ছোট বোন শোকে পাথর। লজ্জা, ঘৃণা, অভিমানে বাকরুদ্ধ। তার অবস্থাও ভালো নয়। ভালো হবেই বা ক্যামন করে? ১৬ বছরের কিশোরীর সামনে ঘটে যাওয়া এমন পাশবিক, নির্মম ঘটনার পর সে ঠিক থাকে কি করে ?

হ্যা, ঠিক এমনই খবর এসেছিল চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ থানায়। তারিখটা এ মাসেরই ১২ তারিখ। খবরটা শুনে ক্যামন জানি হকচকিয়ে গেলেন ওসি সাহেব (হাজীগঞ্জ থানার নতুন ওসি মো. আলমগীর হোসেন)। এত্ত বড় সংবাদ, অথচ তিনি কিছুই জানেন না! দ্রুত মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়কে জানালেন। পুলিশ সুপার মহোদয় ঘটনাস্থলে সরেজমিনে যেতে বললেন। এক মুহূর্ত দেরী না করে পূর্ব হাটিলা গ্রামের আবদুল করিমের বাড়িতে হাজির হলো পুলিশ। তবে সরেজমিনে গিয়ে যা জানা গেল তা প্রাপ্ত সংবাদের সাথে একেবারেই মিলল না।

জানা গেল, চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ থানার পূর্ব হাটিলা গ্রামের করিম সাহেব জীবন-জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ দিন ধরে দুবাই থাকেন। রিবা, রেখাসহ তিন মেয়ে নিয়ে তাঁর সংসার। বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। মেঝ মেয়ে রিবার বিয়ে হয়েছে এ বছরেরই মার্চ মাসে। সুখের সংসার তার। হঠাৎই ঘটে গেছে এক দুর্ঘটনা। গত- ৯/১০/২০১৮ তারিখ রাতে করিমের স্ত্রী ঢাকায় ছিলেন চিকিৎসার জন্য। শুধু বাড়িতে ছিল তার মেঝ মেয়ে রিবা আর ছোট মেয়ে রেখা। রাত ১১টার দিকে একটা চিৎকারের শব্দ শোনে প্রতিবেশীরা। কিছুক্ষণ পর প্রতিবেশীরা এসে দেখে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছে রিবা আর বিধ্বস্ত ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে বসে আছে রেখা। দ্রুত হাজীগঞ্জ হাসপাতালে নেওয়া হয় রিবাকে। তারপর কুমিল্লা হাসপাতালে। শেষ রক্ষা হয়নি। অভিমানে পৃথিবী ছেড়েছে সে। এদিকে করিম সাহেব শোকে দিশেহারা। দুবাই থেকে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে চলে এসেছেন তিনি। এক মেয়ে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল, অন্যজনের (রেখার) অবস্থাও ভালো না। সে নির্বাক। প্রচণ্ড জ্বর তার। শোকে পাথর হয়ে গেছে মেয়েটা। একটু সুস্থ হলে, ছোট মেয়ে রেখা জানালো আসলে ঐ দিন পাশের ঘরে পড়ছিল সে। হঠাৎ শব্দ শুনে ছুটে আসে বোনের ঘরে। দেখে যে, তার বোন মেঝেতে পড়ে আছে। কাউকে ঢুকতে বা বের হতে দেখেনি সে। হয়তো পিছলে পড়ে গিয়ে মাথায় বা নাজুক কোন স্থানে আঘাত পেয়ে ঘটেছে এই মর্মান্তিক ঘটনা। মায়ের মতো বোনের মৃত্যুতে সে নিজেকে সামলাতে পারেনি। তাই সে নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।

ঘটনা শুনে দুবাই থেকে ছুটে এসেছে রিবার স্বামী। প্রিয়তমার এমন মৃত্যুতে সেও শোকে বিহ্বাল। সবাই সান্ত্বনা দিচ্ছে। শ্বশুর-শাশুড়ি জামাইকে ধৈর্য্য ধরার জন্য বলছেন। সে যাই হোক, রিবার পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো মামলা করতে রাজি নন। আর মামলাই বা করবে কার বিরুদ্ধে। নিছক দুর্ঘটনা। এত তোলপাড়ের তো কিছু নাই।

ঘটনার এখানেই সমাপ্তি হতে পারতো। কিন্তু সমস্যা বাধালো ওসি নিজে। ভালো সহজ জিনিসকে জটিল করাই যেন এদের কাজ। সবাই যেখানে লাশ দাফন কাফনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তিনি বললেন পোস্ট মর্টেম করতে হবে। সবাই বলল, ‘পয়সা খাওয়ার ধান্দা, এরা মরা মানুষও ছাড়ে না।’ সে যে যাই বলুক, ওসি সাহেব গোঁ ধরে বসেই রইলেন। এসপি স্যার বললেন, ‘সমস্যা কি?।’ ওসি সাহেব জানালেন, লাশের গলায় আঁচড়ের মতো দাগ আছে। কি আর করা, অতঃপর পরিবারের অমত সত্ত্বেও জিডি মূলে পোস্ট মর্টেম করা হলো। যদিও পরিবার নানা আপত্তি করেছিল, দুষ্টু পুলিশ তা শোনেনি।

পোস্ট মর্টেম কালেই জানা গেল, রিবার বুকের একটা হাড় ভেঙে গেছে। গলায় আঁচড়ের দাগ আছে। এবার ঘটনা আর নিছক দুর্ঘটনা রইল না। ঘরের দরজাগুলি বন্ধ ছিল, চিৎকারের শব্দ ছিল, গলায় আঁচড় এসব আর যাই হোক স্বাভাবিক মৃত্যুর আলামত হতে পারে না। পুলিশ সুপার মহোদয় ওসিকে রিবার লাইফ হিস্ট্রি ঘাটতে বললেন। পরিবার সম্পর্কে জানতে বললেন। সামান্য খুঁজতেই জানা গেল কিছু অস্বাভাবিক তথ্য। স্বামীর সাথে তাঁর সম্পর্ক অতটা ভালো ছিল না। এরই ফাঁকে এক সোর্স জানালো, যদিও রিবার স্বামী হযরত বলেছে সে মৃত্যুর খবর পেয়ে দেশে এসেছে, কিন্তু কেউ কেউ ঘটনার দিন রাত্রেই তাঁকে তাঁর বোনের (হযরতের) বাসায় যেতে দেখেছেন। বিষয়টা দারুন সন্দেহজনক। খোঁজ শুরু হলো হযরতের। তিনি লাপাত্তা। অনেক খোঁজার পর দুদিন বাদে দেখা মিলল তার। পাসপোর্ট চেক করতেই ধরা পড়ে গেল সে। ঘটনার দিনই সকলের অগোচরে দেশে এসেছে সে। উদ্দেশ্য ছিল তার স্ত্রীর সাথে বোঝাপড়া। অনেকদিন যাবৎই তার সাথে বনিবনা হচ্ছিল না। তাই চুপিসারে ঐদিন রাতের বেলা রিবার বাসায় আসে সে। রিবা দরজা খুলে ঘরে ঢুকতে দেয় তাকে। এরপর শুরু হয় কথাকাটি। একপর্যায়ে সে রিবাকে ধাক্কা দিলে খাটের সাথে ধাক্কা খেয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। এরপর ভয়ে সে পালিয়ে যায়। সুন্দর একটা গল্প। ঘটনা এখানেও শেষ হতে পারতো।

শোকের বাড়িতে বিয়ে

আবারো সমস্যা করলো ওসি সাহেব। কারণ, তাঁর কৌতুহলী মন তাঁকে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন করছে। কেননা রিবা মারা যাওয়ার দুই দিন পার না হতেই রেখার সাথে হযরতের বিয়ের আয়োজন শুরু হচ্ছে। এই বিষয়টা মাথা খটকা লাগাচ্ছিল মনে। তাছাড়া, এমনকি ঘটনা ছিল যে, রেখা এই ক’দিন নির্বাক থাকলো? এবার রেখাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হল। ষোড়শী তরুণী সে। প্রথম কদিন অসুস্থ থাকলেও এখন সে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছে। ডাক্তারী রিপোর্টেও কোনো অসুখ ধরা পড়েনি। তার বোন পাশের রুমে ঝগড়া করলো, হাতাহাতি করলো, সে কিছুই জানলো না, বিষয়টা খুবই অস্বাভাবিক। কিছু তো সে অবশ্যই জানে। তার এত ছল-চাতুরির কি দরকার ছিল। এবার কৌশল অবলম্বন করল তদন্তকারী দল। রেখাকে বলা হলো, দুলাভাই (হযরত) সব বলে দিয়েছে। এ কথা শোনার পর হঠাৎ বেলুনের মতো চুপসে গেল সে। বলতে শুরু করলো সেই ভয়াল রাতের কথা।

কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল রিবাকে?

বিয়ের পর থেকেই বোন দুলাভাইয়ের সম্পর্ক ভালো ছিল না। এরই ফাঁকে দুলাভাইয়ের সাথে সম্পর্ক হয় তার। সম্পর্ক এতটাই গাঢ় হয় যে তা শারীরিক সম্পর্ক পর্যন্ত গড়ায়। বিষয়টা কেউই আঁচ করতে পারেনি। দুই মাস আগে হযরত দুবাই যাওয়ার পর থেকেই সে একাকিত্ব সহ্য করতে পারছিল না। রেখা জানায়, তাকে বিয়ে করতে হবে। প্রয়োজনে রিবাকে সরিয়ে দিতে হবে। রেখা জানতো ঘটনার দিন বাড়িতে কেউ থাকবে না। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, হযরতকে দুবাই থেকে ডেকে আনে সে। সঙ্গোপনে খুলে দেয় ঘরের দরজা। প্রথমে দুজন প্রণয়ে লিপ্ত হয়। এরপর ঠাণ্ডা মাথায় এগিয়ে যায় রিবার ঘরে। অঘোরে ঘুমাচ্ছিল মেয়েটা। প্রথমেই ওড়না দিয়ে রেখা বেঁধে ফেলে রিবার পা। তারপর চেপে বসে রিবার উপর। আর হযরত রিবার মুখে বালিশ চাপা দেয়। এতেও কিছু না হলে গলা টিপে ধরে সে। ধস্তাধস্তির সময় ভেঙে যায় বুকের হাড়। একবার একটা চিৎকার দিতে পেরেছিল সে। আর সুযোগ হয়নি তার। এর পরের ঘটনা সবার জানা।

বুক দিয়ে আগলে রেখেছিল যাকে, সেই ছোট বোনই যখন বুকে চেপে বসেছে, তখন হয়তো হতবাক হয়ে গেছে রিবা। যে স্বামীর পায়ের নিচে বেহেশত খুঁজেছে এত দিন, তারই পা যখন তার গলার উপর উঠেছে, অবাক বিস্ময় আর ক্ষোভে ডুকরে কেঁদে উঠেছে সে। শেষ বার হয়তো বিস্ময়ভরা কণ্ঠে বলেছিল “তোরা!

সবাই বলে ঘটনার পরও কটা দিন বেঁচে ছিল সে (রিবা)। কিছুই বলতে পারেনি। আমার মনে হয়, ইচ্ছা করেই কিছু বলেনি রিবা। এত ঘৃণা, এত লজ্জা, এত বিশ্বাসঘাতকতা কিভাবে বলবে সে? পরপারে ভালো থাকুক রিবা। বেঁচে থাকুক ওসি আলমগীর সাহেবের মতো দুষ্টু পুলিশ।

এই বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশীষ বিন হাসান তাঁর লেখা শেষ করেন।

জনশক্তি/এস

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
error: Content is protected !!