ইবির এমফিল-পিএইচডি পরীক্ষার ফল প্রকাশে গড়িমসি

মিরোনাম ডেস্ক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) এবং মাস্টার্স অব ফিলোসফি (এমফিল) ডিগ্রিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি। এক মাস পেরিয়ে গেলেও পরীক্ষার ফল প্রকাশ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
একাডেমিক অফিস সূত্র জানায়, এ বছর এমফিল ও পিএইচডির ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৮৩ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এমফিলে ৩৪ জন ও পিএইচডিতে ৪৯ জন ছিল। ভর্তি পরীক্ষায় আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ১৮ জন, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ১২ জন এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ১৭ জন।

এছাড়া আইন বিভাগে ৭ জন, আল ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগে ৪ জন, অর্থনীতি বিভাগে ৩ জন, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ৪ জন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে জন ৩ জন, ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ৫ জন, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, লোক প্রশাসন এবং ইংরেজি বিভাগে মোট ১ জন করে পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। স্ব-স্ব বিভাগের শ্রেণিকক্ষে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষার এক মাস পার হলেও ফল প্রকাশ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একাধিক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এর আগে আমরা দেখেছি পরীক্ষা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফল প্রকাশিত হতে। কিন্তু এক মাসেও তা প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। আমরা দ্রুত ফল প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে একাডেমিক অফিসের ডেপুটি রেজিস্ট্রার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কিছু বিদেশি ডিগ্রিধারী ছিলেন। সেই ডিগ্রিগুলো বাংলাদেশের অনার্স-মাস্টার্সের সমমান কিনা তা যাচাই-বাছাই করতে সমমান কমিটিতে গেছে। তারা রিপোর্ট জমা দিলে ফল প্রকাশ করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মু. আতাউর রহমান বলেন, ‘ডিগ্রি সমতাকরণ কমিটির সভাপতি ছিলেন প্রো-ভিসি। প্রো-ভিসি না থাকায় এখন ভিসি সভাপতি। ফল প্রকাশের ব্যাপারে পিএডিসি কমিটির সিদ্ধান্ত নেবে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফল প্রকাশিত হবে।’

কেআরআর

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
error: Content is protected !!