বাবুগঞ্জে ইলিশ রক্ষা অভিযানের ১৫ দিন

আব্দুল্লাহ মামুন, বরিশাল: সন্ধ্যা,সুগন্ধা ও আড়িয়াল খাঁ নদীবেষ্টিত বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন। ইতোমধ্যে আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে মা ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের ১৫ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এই উপজেলায় মৎস্য অভিযানকে ঘিরে যেমন রয়েছে ব্যার্থতার গুঞ্জন তেমনি সফলতার ফিরিস্তিটাও কম লম্বা নয়।

উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ৫৭ টি অভিযানের মাধ্যমে ৯.৫৫ লাখ টাকার ০.৪৭৫ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের অপরাধে ১৪ জনকে আটক করেছে কর্তৃপক্ষ। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১০ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও ৪ জনকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। ০.১৮৫ মে.টন জব্দকৃত ইলিশ ১৫/২০টি এতিম খানায় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ভাঙ্গা হয়েছে ১০০টির বেশি ডিঙ্গি নৌকা। কিছু কিছু জায়গায় তবুও অসাধু চক্রের ছত্রচ্ছায়ায় জেলেরা ইলিশ শিকারে নদীতে নেমে পড়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

এদিকে, দেহেরগতি ইউনিয়নের চরমলেঙ্গা এলাকায় একটি চক্র মাছ শিকার অব্যাহত রেখেছে। তারা অভিযানকারীদের ওপর মাঝে মধ্যে চড়াও হয়ে থাকে বলে খবর পাওয়া গেছে। কেদারপুর ইউনিয়নের মোল্লার হাট এলাকার সহিদ নামে একজন ৫/৬ জন জেলেদের দিয়ে মাছ শিকার করাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, নদীগুলোতে প্রতিদিন দিবা-রাত্রি ৪ টি টিম অভিযান করছে। জেলা থেকেও মাঝে মাঝে অভিযানে আসছে। লোকবল সঙ্কটের কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কয়েকটি পয়েন্টে মাছ ধরার খবর আসলেও আমরা যথাসাধ্য প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি মৎস্য অভিযান সফল করার জন্য সর্বসাধারনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিত হাওলাদার বলেন, দেশের স্বার্থে সরকারের মা ইলিশ রক্ষা অভিযান যে কোনো মূল্যে সফল করতে হবে। আমরা সেই চেষ্টাই করছি।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
error: Content is protected !!