মাংসের দোকানে উপচে পড়া ভীড়, বেশি দামের অভিযোগ

উপজেলা প্রতিবেদক

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদের দিন সেমাই নুডুলসের পাশাপাশি পোলাও মাংস রান্না করে থাকেন প্রায় সবাই। তাই সব কেনা কাটার পর এখন শেষ মুহূর্তে মাংসের দোকানগুলোতে ভিড় করছে ক্রেতারা।

সাভার-আশুলিয়ার বিভিন্ন মহল্লায় ঘুরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাংসের দোকান গুলোতে আগের চেয়ে ক্রেতার ভিড় বেশি এবং কসাইরাও মাংস কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে পছন্দের মাংসটি সংগ্রহ করলেও ঈদকে সামনে রেখে মাংসের দাম বেশি রাখার অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

সাভার উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে প্রতি কেজি মাংস বিক্রি করা হচ্ছে ৬৫০ টাকা দরে। যা আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় প্রায় ১০০ টাকা বেশী। এছাড়া উলাইল সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড মজিদপুর রাজাশনসহ আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায়ও মাংসের দাম বেশি রাখা হচ্ছে। তবে দু-একটি জায়গায় যেখানে ক্রেতার সংখ্যা কম সেখানে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পরিবহন সমস্যা থাকায় বাড়িতে যাওয়া হয়নি। রাত পোহালেই ঈদ, তাই মাংস কিনতে এসেছি। আগে এক কেজি মাংস ৫৫০ টাকায় কিনতাম, কিন্তু এখন ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই বেশি দামে মাংস কিনতে হচ্ছে আমাদেরকে।

অপর ক্রেতা শাহ আলম বলেন, আমরা গরিব মানুষ বেশি দাম হলে কিভাবে মাংস কিনবো। তাই তিনি বলেন যাতে সঠিক দামে মাংস বিক্রয় হয় এজন্য বাজার মনিটরিংনসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আশুলিয়ার জিরাবো বাজারের মঞ্জু কসাই বলেন, ঈদ উপলক্ষে প্রতি কেজি মাংসের দাম ২০ টাকা করে বেশিতে বিক্রয় করছি।

অপর কসাই রবিউল বলেন, আমি শুধু মাথার মাংস ৩৫০ টাকা করে বিক্রয় করছি। আগে বিক্রি করতাম ৩০০ টাকা কেজি।

গরু সুস্থ আছে নাকি জিজ্ঞেস করলে মোল্লা কসাই বলেন, সব ঠিক আছে, গরু যে দাম বেশি তাই আমরা ২০ টাকা করে মাংস বেশি বিক্রয় করছি।

এ ব্যাপারে জানতে সাভার উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: